জাপানে চলতি বছরের এপ্রিলে অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। দেশটির নির্মাণ খাতে ধাতব পণ্যটির নিম্নমুখী চাহিদা উৎপাদন কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এছাড়া চীন সম্প্রতি বিশ্ববাজারে ইস্পাতের রফতানি বাড়িয়েছে। ফলে জাপানি ইস্পাতের বিদেশী বাজার সংকুচিত হয়েছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে জাপান আয়রন অ্যান্ড স্টিল ফেডারেশন। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।
শিল্প সংগঠনটির তথ্যমতে, জাপান এপ্রিলে মোট ৬৬ লাখ টন অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন করেছে, যা মার্চের তুলনায় ৮ দশমিক ৪ শতাংশ কম।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, শ্রমিক সংকট ও কাঁচামালের দাম বেশি হওয়ায় অনেক নির্মাণ প্রকল্প পিছিয়ে যাচ্ছে। ফলে দেশের ভেতরে ইস্পাতের চাহিদা কমে গেছে। পাশাপাশি চীনের অতিরিক্ত রফতানির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারেও জাপানি ইস্পাতের চাহিদা কমেছে।
এছাড়া নিপ্পন স্টিলের কাশিমা প্লান্টে একটি ব্লাস্ট ফার্নেস মার্চের শেষে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইস্পাতের সরবরাহ কিছুটা কমেছে। জেএফই স্টিলের আরেকটি ফার্নেস মে মাসের মাঝামাঝি সময় সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
সংগঠনের এক বিশ্লেষক জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এর আগে মার্চে ফেডারেশনের চেয়ারম্যান তাদাশি ইমাই সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করে, তাহলে জাপানের বার্ষিক ইস্পাত উৎপাদন আট কোটি টনের নিচে নেমে যেতে পারে।